১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৩:৪২:৩৭ পূর্বাহ্ন


‘রণবলী’ মুক্তির আগেই মানবিক রাশমিকা, ৪০০ পরিবারের দায়িত্ব গ্রহণ!
বিনোদন ডেস্ক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-১০-১৪ ২০:০১:০৪
‘রণবলী’ মুক্তির আগেই মানবিক রাশমিকা, ৪০০ পরিবারের দায়িত্ব গ্রহণ! অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা I ছবি: সংগৃহীত


‘প্রজেক্ট অন্নপূর্ণা’ উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের ৪০০টি অসচ্ছল পরিবারের পুরো এক বছরের মুদি খরচের দায়িত্ব নিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা

       বিয়ের পর প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় তারকা দম্পতি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। তাঁদের নতুন সিনেমা ‘রণবলী’ ঘিরে বিনোদনপ্রেমীদের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। তবে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই এক অসাধারণ মানবিক উদ্যোগের কারণে শুভানুধ্যায়ী ও নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা।

দক্ষিণ ভারতের আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ‘প্রজেক্ট অন্নপূর্ণা’ নামে এক বিশেষ দাতব্য কার্যক্রম চালু করেছেন এই দক্ষিণি তারকা। এই মানবিক কর্মসূচির প্রথম ধাপে তিনি প্রাথমিকভাব ৪০০টি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও পুরো মাসের মুদি খরচের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই উদ্যোগের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক ভিডিও বার্তায় রাশমিকা এই কল্যাণকর উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, তাঁর আসন্ন চলচ্চিত্র ‘রণবলী’-তে তাঁর রূপায়িত ‘জায়াম্মা’ চরিত্রটির মানবিক ও দরদি দিকটি তাঁকে বাস্তব জীবনেও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

ভক্তদের নানা প্রশ্নের জবাবে রাশমিকা জানান, পর্দার ‘জায়াম্মা’ চরিত্রের সঙ্গে তাঁর বাস্তব জীবনের ভাবনা ও ব্যক্তিত্বের গভীর মেলবন্ধন রয়েছে। এতদিন পর্যন্ত এসব সামাজিক সহায়তা নিঃশব্দে ও গোপনে করে আসলেও এবার প্রকাশ্যে এনেছেন কেবল একটাই উদ্দেশ্যে—যেন তাঁর এই উদ্যোগ দেখে অন্যরাও সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে অনুপ্রাণিত হন।

নিজের এই পরিকল্পনার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাশমিকা বলেন, “আজ আমি ৪০০টি পরিবারের প্রাথমিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমি প্রতি দফায় তিন মাস করে ৪০০টি পরিবারকে প্রয়োজনীয় সমস্ত মুদি বাজার সরবরাহ করে সহায়তা পৌঁছে দিতে চাই এবং আগামী অন্তত এক বছর এই কার্যক্রম নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। এতে করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পারিবারিক খরচের টাকা বাঁচিয়ে সাধারণ মানুষ কিছুটা সঞ্চয় করতে পারবেন এবং নিজেদের সুন্দর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজাতে সক্ষম হবেন।”