২৮ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার, ০২:৫৪:২৮ পূর্বাহ্ন


ক্ষমার দোয়া ও রহমতের বর্ণনায় মুখরিত হবে আজকের তারাবিহ
স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২২-১২-১১ ০১:১৩:০৪
ক্ষমার দোয়া ও রহমতের বর্ণনায় মুখরিত হবে আজকের তারাবিহ ফাইল ছবি


নবি-রাসুলদের ক্ষমা প্রার্থনার কৌশল ও আল্লাহর অনুগ্রহ পাওয়ার বর্ণনায় মুখরিত হবে ১৭ রোজার প্রস্তুতির তারাবিহ। তেলাওয়াতকৃত সুরাগুলোতে দাওয়াত ও তাবলিগের নীতি পদ্ধতির আলোচনা হবে যথাযথ। আজকের তারাবিহতে পড়া হবে সুরা নমল-এর কিছু অংশ, সুরা কাসাস এবং সুরা আনকাবুত-এর ৪৪ আয়াত পর্যন্ত পড়া হবে। সৃষ্টিজগতের কর্তৃত্ব ও পৃথিবীর সুসজ্জিত করার কারিগর মহান আল্লাহর পরিচয় তুলে ধরে শুরু হবে আজকের তারাবিহ। আল্লাহ তাআলা প্রশ্ন রেখে বলেন- ‘বলুন তো কে সৃষ্টি করেছেন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল? এবং আকাশ থেকে তোমাদের জন্যে বর্ষণ করেছেন পানি; অতপর তা দ্বারা আমি মনোরম বাগান সৃষ্টি করেছি। তার বৃক্ষাদি উৎপন্ন করার শক্তিই তোমাদের নেই। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? বরং তারা (অবিশ্বাসীরা) সত্যবিচ্যুত সম্প্রদায়।’ (সুরা নমল : আয়াত ৬০) হাফেজে কুরআনদের মনোমুগ্ধকর তেলাওয়াতে সম্পন্ন হবে ২০তম পারা। আজকের তারাবিহতে যা পড়া হবে তার সংক্ষিপ্ত আলোচ্যসূচি তুলে ধরা হলো- > সুরা নমল : (৬০-৯৩) সুরা নমল মক্কায় অবতীর্ণ। নমল দ্বারা আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে ক্ষুদ্র প্রাণী পিপীলিকাকে বুঝিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা এ সুরায় পিপীলিকার কথা বর্ণনা করেছেন। তাই এ সুরার নাম দিয়েছেন নমল। পিপীলিকার ঘটনা হজরত সুলায়মান আলাইহিস সালামের নবুয়তের প্রমাণ বহন করে, আর এ ঘটনার বর্ণনা বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুয়তের প্রমাণের গুরুত্ব সর্বাধিক। সুরা নমল-এ তাওহিদ ও নবুয়ত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সৃষ্টিজগতের পরিচালনায় মহান আল্লাহ চূড়ান্ত কৌশলী। তিনি তার সে সব রহস্যগুলো সুবিন্যস্ত করে বলেন- - ‘বল তো কে পৃথিবীকে বাসোপযোগী করেছেন এবং তার মাঝে মাঝে নদ-নদী প্রবাহিত করেছেন এবং তাকে স্থিত রাখার জন্যে পর্বত স্থাপন করেছেন এবং দুই সমুদ্রের মাঝখানে অন্তরায় রেখেছেন। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না।’ (সুরা নমল : ৬১) - ‘বল তো কে তোমাদের জলে ও স্থলে অন্ধকারে পথ দেখান এবং যিনি তাঁর অনুগ্রহে আগে সুসংবাদবাহী বাতাস প্রেরণ করেন? অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? তারা যাকে শরিক করে, আল্লাহ তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে।’ (সুরা নমল : আয়াত ৬৩) - বল তো কে প্রথমবার সৃষ্টি করেন, অতপর তাকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন এবং কে তোমাদেরকে আকাশ ও জমিন থেকে রিজিক দান করেন। সুতরাং আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? বলুন, তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর।’ (সুরা নমল : আয়াত ৬৪) আল্লাহ তাআলা অবিশ্বাসীদেরকে মৃতের সঙ্গে তুলনা করেছেন। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ মর্মে আয়াত নাজিল করে বলেন- - ‘অতএব, আপনি আল্লাহর উপর ভরসা করুন। নিশ্চয় আপনি সত্য ও স্পষ্ট পথে আছেন। আপনি আহবান শোনাতে পারবেন না মৃতদেরকে এবং বধিরকেও নয়, যখন তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যায় ।’ (সুরা নমল : আয়াত ৭৯-৮০) - ‘আপনি অন্ধদেরকে তাদের পথভ্রষ্টতা থেকে ফিরিয়ে সৎপথে আনতে পারবেন না। আপনি কেবল তাদেরকে শোনাতে পারবেন, যারা আমার আয়াতসমূহে বিশ্বাস করে। অতএব, তারাই আজ্ঞাবহ।’ (সুরা নমল : আয়াত ৮১) তাওহিদের বর্ণনায় শেষ হবে সুরা নমল। যেখানে আল্লাহ তাআলা সৎকর্মশীল বান্দার সতর্ককারী হিসেবে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠিয়েছেন। আর যারা কুরআনের উপদেশ গ্রহণ করবে না, নবির সতর্কতা মানবে তারাই মুর্খ। আল্লাহ তাআলা বলেন- - এবং যেন আমি কোরআন পাঠ করে শোনাই। পর যে ব্যক্তি সৎপথে চলে, সে নিজের কল্যাণার্থেই সৎপথে চলে এবং কেউ পথভ্রষ্ট হলে আপনি বলে দিন, আমি তো কেবল একজন ভীতি প্রদর্শনকারী। আর আরও বলুন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। সত্বরই তিনি তাঁর নিদর্শনসমূহ তোমাদেরকে দেখাবেন। তখন তোমরা তা চিনতে পারবে। আর তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আপনার পালনকর্তা গাফেল নন।’ (সুরা নমল : আয়াত ৯২-৯৩)

Indian Muslim businessman gave oxygen worth Rs 1 crore
The importance of giving Iftar and financial donations during Ramadan
The prayers that will be recited more in the days of forgiveness
The time of Ramadan will be spent on that work
Today's Tarabi will be full of prayers for forgiveness and mercy